Uncategorized, বিনোদন, সেলিব্রিটি বার্তা

অভিনেত্রী শাবনূরের বিবাহ বিচ্ছেদ??

বাংলাদেশী চলচ্চিত্রে জনপ্রিয় অভিনেত্রী শাবনূর। যার প্রকৃত নাম কাজী শারমিন নাহিদ নূপুর। শাবনূর ১৯৭৯ সালের ১৭ ডিসেম্বর বাংলাদেশের যশোর জেলার শার্শা উপজেলার নাভারণে জন্মগ্রহণ করেন। পারিবারিক ভাবে তার নাম রাখা হয় কাজী শারমিন নাহিদ নুপুর। পরে স্বনামধন্য নির্মাতা এবং তার মেনটর এহতেশাম তার নাম রাখেন শাবনূর। শাবনূর শব্দের অর্থ রাতের আলো। শাবনূরের পিতার নাম শাহজাহান চৌধুরী। তিন ভাই বোনের মধ্যে সবচেয়ে বড় তিনি। বোন ঝুমুর এবং ভাই তমাল দুজনেই নিজ নিজ পরিবারসহ অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী।

Image result for নায়িকা শাবনূর

বাংলা চলচ্চিত্রের একসময়ের তুমুল জনপ্রিয় নায়িকা শাবনূর। ২০১১ সালের ৬ ডিসেম্বর অনিক মাহমুদ হৃদয়ের সঙ্গে আংটি বদল করেন শাবনূর। এরপর ২০১২ সালের ২৮ ডিসেম্বর বিয়ে করেন তারা। ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর আইজান নিহান নামে এক পুত্রসন্তানের মা হন শাবনূর। পুত্রকে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করতেন। শাবনূর-অনিকের প্রেমের শুরু ‘বধূ তুমি কার’ সিনেমার শুটিং সেটে। ২০১০ সালে বজলুর রশীদ চৌধুরী নির্মাণ করেন সিনেমাটি। এতে শাবনূরের বিপরীতে অভিনয় করেন অনিক। জুটি বেঁধে অভিনয় করতে গিয়ে তাদের প্রথম পরিচয়। তারপর মন দেয়া নেয়া।

Image result for নায়িকা শাবনূর shami

গত ২৬ জানুয়ারি স্বামী অনিককে তালাক দিয়েছেন শাবনূর। নিজের সই করা নোটিশটি অ্যাডভোকেট কাওসার আহমেদের মাধ্যমে স্বামীকে পাঠিয়েছেন তিনি। জানা গেছে, নোটিশের অনুলিপি অনিকের এলাকার আইন ও সালিশ কেন্দ্রের চেয়ারম্যান এবং কাজী অফিস বরাবরও পাঠানো হয়েছে। তালাকের নোটিশ এবং হলফনামা প্রস্তুতকারী অ্যাডভোকেট কাওসার আহমেদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন জানান, ‘গত ২৬ জানুয়ারি অনিকের সঙ্গে বিবাহ বন্ধন ছিন্ন করেছেন শাবনূর। গত ৪ ফেব্রুয়ারি অনিকের উত্তরা এবং গাজীপুরের বাসার ঠিকানায় সেই নোটিশ পাঠানো হয়।

Related image

উত্তরার নোটিশটি ফেরত এলেও গাজীপুরের ঠিকানায় পাঠানো নোটিশ এখনো ফেরত আসেনি। নোটিশটি অনিক গ্রহণ না করলে এর মধ্যেই ফেরত আসত। তবে আইনগতভাবে তাদের এই তালাক কার্যকর হবে ৯০ দিন পর।’ শাবনূরের প্রথম চলচ্চিত্র চাঁদনী রাতে ১৯৯৩ সালে মুক্তি পায়। ছবিটি পরিচালনা করেন এহতেশাম এবং তার বিপরীতে নায়ক ছিল সাব্বির। এই ছবিটি ব্যর্থ হয়। পরে চিত্র নায়ক সালমান শাহের সাথে জুটি বেধে ১৪টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন যার প্রায় সবগুলোই ছিল ব্যবসায়িক মানদন্ডে সফল। অসংখ্য ব্যবসাসফল সিনেমায় অভিনয় করে ভক্তদের মন জয় করেন। তার পুরস্কারজয়ী চলচ্চিত্রসমূহ হল বুক ভরা ভালোবাসা (১৯৯৮), বিয়ের ফুল (১৯৯৯),
Related image
এ বাঁধন যাবে না ছিঁড়ে (২০০০),শ্বশুরবাড়ী জিন্দাবাদ (২০০১), স্বামী স্ত্রীর যুদ্ধ (২০০২), ফুলের মত বউ (২০০৪), মোল্লা বাড়ীর বউ (২০০৫), আমার প্রাণের স্বামী (২০০৭), ১ টাকার বউ (২০০৮), বলবো কথা বাসর ঘরে (২০০৯)।  শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেত্রী বিভাগে ১০ বার মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার লাভ করেন। ০১৬ সালে চুক্তিবদ্ধ হন পি এ কাজলের মন যারে চায় ছায়াছবিতে। এতে তাকে একজন নারী নেত্রীর ভূমিকায় দেখা যাবে। এছাড়া চুক্তিবদ্ধ হন মোস্তাফিজুর রহমান মানিকের কতদিন দেখিনি তোমায় ছায়াছবিতে। এতে তার বিপরীতে কাজ করবেন ফেরদৌস।

Related image

তারকালয়/০৪/০৩/২০২০ রিয়া

Previous ArticleNext Article