অপরাজিতা তুমি

বসকে কিভাবে সামলাবেন?

যেকোনো কর্মক্ষেত্রে বসকে সামলানো একটা বড় আর্ট। কাজে আপনি যতই পারদর্শী হন না কেনো , বসকে ঠিক ঠাক মতো না বুঝতে পারলে পারফরম্যান্সএ প্রভাব পড়তে বাধ্য। বসকে বুঝতে পারা মানে একটা যুদ্ধ জয় করা।

আসুন জেনে নেয়া যাক কিছু তরিকা:

১. বসের টাইম টেবিল জানুন। বস কখন অফিস আসেন এবং কতক্ষন কাজ করতে পছন্দ করেন ইটা জেনে নেয়া খুব জরুরি । সেই অনুযায়ী আপনি আপনার কাজগুলো শেষ করুন এবং তৎ সাথে বসুন কাজের অগ্রগতি নিয়ে । বস দেরি করে আসলে আপনিও দেরি করে অফিস আসবেন তা কিন্তু নয় , বরং তার আসার টাইম জানা থাকলে আপনি ডেডলাইন গুলো ঠিক ঠাক করতে পারবেন।

২. বসের কর্মপদ্ধতি জানুন – এক এক বস এক এক রকম ভাবে কাজ করতে পসন্দ করেন। কেউ প্রেসেন্টেশন আকারে জানতে পছন্দ করেন আর কেউ বা পছন্দ করেন ডিরেক্টকমুনিকেশন্স। আপনি জেনে নিন উনি কোন টাইপের।

৩. ইমেইল accuracy: ইমেইল ঠিকটাক লিখতে জানাটাও একটা বড় আর্ট । অনেক বস ইমেইলে ভুল একদম পছন্দ করেননা। তাদের মেজাজ বিগড়ে যায় কোনো ভুল হল্যে পড়লে। অটো কারেক্ট ইসে করুন এবং বারবার পড়ুন কোথাও কোনো ভুল হলো কিনা।

৪. বসকে নিয়ে গসিপ নো নো: বসকে নিয়ে ভুলেও কোনো গসিপ করা যাবে না । কেউ না কেউ সুবিধা নিবার জন্য তার কানে সেটা পৌঁছে দিতে পারে । তাহলেই হলো, সুতরাং ইটস এ কমপ্লিট নো ।

৫. অফিসে দল পাকাবেন না: অফিস পলিটিক্স খুব কমন এ দেশে । বসের বিরুধ্যে গিয়ে দোল পাকাবেন না কোনো। দিন শেষে এই দল গুলো টিকে না এবং ক্ষতিটা আপনারই হবে ।

৬. অন্য বসের প্রশংসা করবেন না: আপনার বসের সামনে অন্য কারো বসের প্রশংসা করবেনা । তার ইগো হার্ট হতে পারে এবং আপনি হতে পারেন অপ্রিয় ভাজন।

৭. তার খবর নিন: মাঝে মদ্ধ্যে বসের খবর নিয়ে পারেন বিশেষ করে তার পরিবারের কিন্তু মনে রাখতে হবে সেটা যেন লিমিটের মধ্যে থাকে। অতি মাত্রায় ঘনিষ্ট হওয়া যাবে না ।

৮. লাঞ্চে অতিরিক্ত সময় নেয়া যাবে না: আমরা অনেক সময় লাঞ্চ টাইম এ অনেক সময় নিয়ে ফেলি । ঠিক সেই সময় বস হয়তো আপনাকে খুজচ্ছে। লাঞ্চ টাইম ফিক্স করে সময় মতো ফিরে আসুন।

Previous ArticleNext Article